শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আমার নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই, আমার কোনো বাড়ি নেই, এক কাঠা জমিও নেই: সুজন কড়া নজরদারিতে মামুনুল হক, নির্দেশনা পেলেই গ্রে’প্তার! পালাতক মামুনুল হক, মামুনুলকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না স্ত্রী’কে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে মামুনুল হক অ’বরুদ্ধ এইমাত্র পাওয়াঃ ভক্তদের কা’ন্নার সাগরে ভাসিয়ে কলকাতাকে বিশাল সমস্যায় ফেললেন সাকিব মতিঝিলে মোদিবি’রোধী বি’ক্ষো’ভ, ‘শি’শুবক্তা’ রফিকুল আ’টক অবশেষে আইপিএল বাদ দিয়ে দেশে সিরিজ খেলবেন সাকিব অবশেষে আইপিএল বাদ দিয়ে দেশে সিরিজ খেলবেন সাকিব অধিনায়কের নাম ঘোষণা করলো কলকাতা নাইট রাইডার্স তাসকিন, রুবেলকে বাদ দিয়ে যে পেসার নিয়ে ১ম ওয়ানডের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করলো ডোমিঙ্গ
‘দিদি’ ডাকায় লা’থি দিয়ে দোকানির মাছ ড্রেনে ফে’লে দিলেন এসিল্যান্ড

‘দিদি’ ডাকায় লা’থি দিয়ে দোকানির মাছ ড্রেনে ফে’লে দিলেন এসিল্যান্ড

ফেঞ্চুগঞ্জের সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার। ছবি: সংগৃহীত
‘দিদি’ ডাকায় লা’থি দিয়ে মাছ বিক্রেতার মাছ ড্রেনে ফে’লে দিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি)।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ মে (রোববার) সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে।

এসিল্যান্ডের এমন কাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।

সূত্র জানায়, গত রোববার সকাল বেলা এসিল্যান্ড কার্যালয়ের গেটের পাশে বসে মাছ বিক্রি করছিলেন কয়েকজন মাছ বিক্রেতা।

এ সময় গাড়ি নিয়ে অফিসে প্রবেশ করছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার।

অফিসের প্রবেশ পথে গাড়ি থামিয়ে দেন সঞ্চিতা কর্মকার। গাড়ির ভেতরে বসেই এক ব্যবসায়ীকে মাছের ঝুড়ি সরাতে বলেন।

এ সময় লায়েক আহমেদ নামের এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, ‌‌দিদি সরিয়ে নিচ্ছি।

আর এ কথা শোনার পরেই ক্ষেপে যান এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকার।

গাড়ি থেকে নেমে বলেন, ‘আমি কিসের দিদি! এর পরই লা’থি দিয়ে লায়েক আহমেদ ও তার সঙ্গী হাসান মিয়ার মাছের ঝুড়ি পাশের ড্রেনে ফে’লে দেন।

স’রকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার এমন আচরণে লায়েক মিয়াসহ অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা হতভম্ব হয়ে যান।

এসিল্যান্ডের এমন আচরণে উপজে’লাজুড়ে ক্ষো’ভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ‘মাছ ব্যবসায়ীরা কেউ এসিল্যান্ড কার্যালয়ের ভেতরে বসে মাছ বিক্রি করছিল না। সেটা করলে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারতেন। অথচ এভাবে লা’থি মা’রার মতো কাজটি করে তিনি মাছ বিক্রেতাদের রুজি-রুটিতে লা’থি মারলেন। এমন বিরূপ আচরণ তার মতো উর্ধ্বতন কর্মকর্তার থেকে একেবারে কাম্য নয়। ’

এ ঘটনায় এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকারের বি’রুদ্ধে প্র’তিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু বি’ষয়টির কোনো সন্তোষজনক সমাধান না হওয়ায় পরদিন (১৩ মে) উপজে’লার সভায় বি’ষয়টি নিয়ে আলোচিত হয়।

সভায় স্থানীয় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজি বদরুদ্দোজা বলেন, ‘মাছ বিক্রেতাদের সঙ্গে এসিল্যান্ডের এই দুর্ব্যবহারের বি’ষয়টি আমি আলোচনায় তুলেছিলাম। তবে এসিল্যান্ডের পক্ষ থেকে মাছ বিক্রেতাদের সান্তনা দিতে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখিনি।’

এদিকে লা’থি দিয়ে মাছ বিক্রেতার মাছ ফে’লে দেয়া স্বীকার করেছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার।

এ ব্যাপারে তার অভিযোগ, ‘তারা মাছ নিয়ে আমার অফিসের ভেতরে ঢুকে যায়। বারবার নিষেধ করা হলেও তারা মানেন নি। ’

এসব মাছ বিক্রেতার নিয়ে আসা মাছের দুর্গন্ধে অফিসে কাজ করতে ক’ষ্ট হয় বলে জানান তিনি।

এরপর স্থানীয়দের তুমুল সমালোচনার পর সঞ্চিতা কর্মকার বলেন, ‘সেদিন কোনোভাবেই আমি তাদের সরাতে না পেরে বেশ রেগে গিয়েছিলাম। তখনই লা’থি দিয়ে মাছ ফে’লে দিই। ’

বি’ষয়টি ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য আমি তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে রাজি আছি।’

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 worldinbangladesh.com