সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সবাইকে অবাক করে বিজয়-নাঈমদের জাতীয় দলের কামব্যাক ইস্যুতে মুখ খুললেন মাশরাফি দুই পরিবর্তন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সম্ভাব্য শক্তিশালী একাদশ ঘোষণা করলো বাংলাদেশ! দ্বিতীয় টেস্ট খেলা নিয়ে সাকিবের নতুন সিদ্ধান্ত জানালো জালাল ইউনূস একাদশে মুস্তাফিজকে রাখা হবে কিনা জানিয়ে দিলেন প্রধান কোচ রিকি পন্টিং দুইটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারত ইমরুল কিংবা সাব্বির নয় অবহেলিত যে দুই ক্রিকেটারকে জাতীয় দলে দেখতে চান মাশরাফি মসজিদ নির্মাণে শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছে সোনা পাঠালেন দাতারা যেভাবে বানাবেন মিষ্টি কুমড়ার ‘বেগুনি’ ঢাকায় কালবৈশাখী, তিন বিভাগে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা টিপ নিয়ে সুশীল সমাজ যতো সরব, হিজাবের বেলায় কেন এমন সরব হন না : প্রশ্ন শায়খ আহমাদুল্লাহর
মাত্র পাওয়াঃ এবার মামুনুলের তৃ’তীয় প্রে’মিকার সন্ধান!

মাত্র পাওয়াঃ এবার মামুনুলের তৃ’তীয় প্রে’মিকার সন্ধান!

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাস’চিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হকের ‘তৃতীয় প্রে’মিকা’র সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জান্নাত আরা ঝর্নার মতো ডিভোর্সি এই না’রীর স’ঙ্গে মামুনুল হকের অ’নৈতিক সম্প’র্ক ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি ইউনিট মামুনুল হক সম্প’র্কে ছায়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে এই ত’থ্য পায়।

এই না’রীকে এতদিন তারা প্রথম স্ত্রী ধারণা করেছিলেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে মামুনুল হকের একাধিক ফোনালাপ ফাঁ’স ও ঘনিষ্ঠদের স’ঙ্গে কথা বলে গো’য়েন্দা কর্মকর্তারা তৃতীয় প্রে’মিকার বি’ষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। জানা গেছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই না’রীর স’ঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে অ’নৈতিক সম্প’র্ক গড়ে তুলেছিলেন মামুনুল হক।

ওই না’রীর ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে এ সংক্রান্ত অনেক ত’থ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। ওই না’রী একটি ম’হিলা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেখানে শিক্ষকতা করেন তার পাশেই একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন ওই না’রী। এই বাসাতেই মাওলানা মামুনুল মাঝেমধ্যেই যাতায়াত করতেন। ওই মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা হলেন মামুনুল হক।

এই সুবাদে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে অ’নৈতিক সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। এ সংক্রান্ত অনেক ত’থ্য প্রমাণ বাংলা ট্রিবিউনের হাতে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে মাওলানা মামুনুল হক ও ওই না’রীর একাধিক ফোনালাপ বাংলা ট্রিবিউনের হাতে এসেছে। ফাঁ’স হওয়া এসব ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের অ’নৈতিক সম্প’র্ক ও ওই শিক্ষিকার বাসায় যাতায়াতের বি’ষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ডের পর একটি ফোনালাপের তার তৃতীয় প্রে’মিকা সম্প’র্কে কিছুটা ত’থ্য পাওয়া যায়। ওই ফোনালাপে রয়েল রিসোর্টে থাকা অবস্থায় মুফতি এনায়েতুল্লাহকে ফোন করেছিলেন তিনি। এসময় মুফতি এনায়েতুল্লাহকে কথিত স্ত্রী নিয়ে রিসোর্টে যাওয়ার কথা জানালে এনায়েতুল্লাহ জিজ্ঞাসা করেন ‘কোন ভাবী, কাপাসিয়ার?’ মামুনুল হক উত্তরে বলেন, না, খুলনার।

এ বি’ষয়ে যোগাযোগ করা হলে মুফতি এনায়েতুল্লাহ কোনও মন্তব্য করতে রাজী হননি। গত ২৬ মার্চ থেকে মোদিবি’রোধী আন্দোলনের মধ্যেই মাওলানা মামুনুল হক ওই না’রীর বাসায় গিয়ে একান্ত সময় কাটিয়েছেন। ৪৯ সেকেন্ডের অডিওতে মামুনুল ওই না’রীকে বলেন, ‘হ্যালো আমি আসছি।’ উত্তরে ওই না’রী বলেন, ‘চলে আসছেন?

গেট খোলা আছে।’ মামুনুল বলেন, ‘গেট খুলে আমাকে রিসিভ করার ব্যবস্থা করো। এছাড়া কেউ আছে নাকি দেখো আগে।’ ওই না’রী আচ্ছা বলে ফোনের লাইন কে’টে দেন। ওই বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মামুনুল হক ও ওই না’রীর কথোপকথনের আরেকটি ফোনালাপও ফাঁ’স হয়েছে। সেখানে তাদের কথোপকথন নিচে তুলে ধরা হলো-

মামুনুল: চলে আসছি। বুঝছো! না’রী: ঠিক আছে। শুনছি। মামুনুল: চোরের মতো কথা কও কিল্লাইগা। জো’রে জো’রে কথা কইতে পারো না? না’রী: জো’রে কে কমু। বেশি করে কমু। সমস্যা কি? মামুনুল: হে হে হে! গুড নাইট। ফ্রেস-ট্রেস হয়ে নামাজ পড়ে আমার জন্য দোয়া করো। বুঝছো। না’রী: কি হইছে?

মামুনুল: ফ্রেস হইয়া নামাজ-টামাজ পরবা না? না’রী: হু। মামুনুল: নামাজ পড়ো আর আমার জন্য দোয়া করো। না’রী: বাসায় পৌঁছে একটা মেসেজ দিয়েন। মামুনুল- বাসায় পৌঁছে মেসেজ দেওয়ার কি আছে? বাসায় তো পৌঁছায়া গেছি।না’রী: কি হইছে। মামুনুল- বাসাতো এইখানে। না’রী: আচ্ছা, যান।

মামুনুল- আচ্ছা। না’রী: আসসালামু আলাইকুম। ফাঁ’স হওয়া আরেকটি ফোনালাপে মামুনুল হক ও ওই না’রীর প্রায় ৩ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের অডিওতে মামুনুল ও ওই না’রী রাতে বাইরে একস’ঙ্গে কা’টানোর বি’ষয়ে কথা বলেন। এছাড়া ওই না’রীকে তাকে সমুদ্রে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও মনে করিয়ে দেন। সেই ফোনালাপ নিচে তুলে ধরা হলো:

না’রী: আসসালামু আলাইকুম। মামুনুল: ওলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহ। না’রী: দেখছো। মামুনুল- না। না’রী: তাহলে আগে প্লানটা বলেন। মামুনুল- পিলান-টিলান আর বলতে পারুম না। হাতে সময় বের করতে পারি কিনা। পারলে তখন কি করবো সেটা বলো। না’রী: আমি বলি শোনেন। আপা আছে না। মামুনুল- হ্যাঁ।

না’রী: আপার ইবনে সীনায় কিছু টেস্ট আছে। মামুনুল- হ্যাঁ। না’রী: চাইছিলাম আজকে টেস্টগুলো করতে দেওয়ার জন্য। মামুনুল- হ্যাঁ। না’রী: আমি বের হলেও তো এদিকে কাজগুলো পারবো না। আর আপার টেস্টের জন্য বের হলে সাড়ে ৩টার পরে বের হবো।

মামুনুল: সাড়ে ৩টায় বের হও। আমার প্রো’গ্রাম আরও পরে। তারপর কি করবা। ওনি কি করবে তুমি কি করবা। না’রী: বাসায় নিয়া আমু। আমারে জিগাইসে দেরি হলো কিল্লায়গা। আমি বলেছি ডাক্তারের সিরিয়াল পাইতেছিলাম না। সিরিয়াল পাইতে দেরি হইছে। পরে আমি বলছি আর সমস্যা নাই। আমি বাসায় একলা থাকতে পারবো। থাকতে তো পারবো এটা আমিও জানি। সমস্যা কি? থাকবো। কিন্তু আমি যদি রাতে ব্যাক করি। রাতে তো মনে হয় ব্যাক করা হবে না। আসলে সকালে। বুঝছো।

মামুনুল: সেরকমই তো। এখন কি করবা বলো। ঝামেলা হয়ে গেলো। না’রী: আমারে নিয়ে না আপনার কই যাওয়ার কথা। মামুনুল: কোথায়, বলো। না’রী: হু, মামুনুল: কই যাওয়ার কথা। না’রী: সমুদ্রে যাওয়ার কথা। মামুনুল: না। সেটা তো আলাদা, আলাদা প্রো’গ্রাম করতে হবে। সেটা তো আরও কয়েকদিন পরে করবো ইনশাআল্লাহ।

না’রী: আচ্ছা। আপনি সময় পেলে করবেন। আমি আপারে টেস্ট করায়ে, হয়তো টেস্ট শেষ হতে রাত ৮/৯টা বাইজে যাইতে পারে। মামুনুল: ওরে বাপরে বাপ। না’রী: আল্ট্রা করে যে উনি বসে ৬টায়। ও তো একলা আসতে পারবো না এটা কয়ে লাভ না। বাসা পর্যন্ত। আজকে মনে হয় না হইবো। মামুনুল: আচ্ছা ঠিক আছে।

না’রী: আর যদি মনে করেন খুব বেশি সমস্যা তাহলে আজকে না কালকে গেলাম। কালকে শনিবার। এখন আপনার ও’পর নির্ভর। আপনি তো সময় বের করা সো টাফ। মামুনুল: সারাদিন তো কাজ-কাম। কোনো কিছু সহজ না। না’রী: এহন আপনার ই’চ্ছা। আমারে যা কইবেন তাই। আমার অতো শখ নাই।

মামুনুল: আচ্ছা তুমি তোমার মতো কাজ চালাইতে থাকো। টেস্ট-মেস্ট করাও তারপর দেখি। না’রী: আচ্ছা ঠিক আছে। তাহলে আমি সাড়ে ৩টার পর আপারে নিয়ে বেরুবো। মামুনুল: ঠিক আছে। না’রী: আচ্ছা, আসসালামু আলাইকুম।মামুনুল: ওলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহ।

ফাঁ’স হওয়া আরও একটি ফোনালাপ: না’রী: আসসালামু আলাইকুম। মামুনুল- ওলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহ। কি অবস্থা। ঝামেলা নাকি। না’রী: না। বলেন। মামুনুল- কথা এমনে কইতাছো ক্যান। মনে হয় যে ঘুমায় ঘুমায় কথা কইতাছো। না’রী: ঘুমায় ঘুমায় কথা বলতাছি না। ক্লাসে আছি। অফিসে বসেন। আমি আসতাছি।

মামুনুল- কেন আমি অফিসে বসবো। আমি অফিসে বসবো না। আমি এখন কথা বলবো এবং যা ই’চ্ছা তাই বলবো। না’রী: বাড়াবাড়ি করতাছেন যে মামুনুল- কি বাড়াবাড়ি কি করছি আবার। কথা বলা মানুষের বাক স্বাধীনতা। না’রী: আপনি তো আমার বাক স্বাধীনতা হরন করছেন। পোলাপাইনের সামনে অনেক কিছু বলতে পারছি না। মামুনুল- হা হা হা!

না’রী: মজা নিতাছেন। মামুনুল- এটা ঠিক না, এটা ঠিক না। একজনকে লাইনে রাইখা আরেকজনের স’ঙ্গে কথা বলা। না এটা ভদ্রতা পরিপন্থী কাজ। ওনারা থাকলে এখন তো আর যাওয়া যাইবে না। না’রী: এক ঝামেলার মধ্যে এত রস আসে কোত্থেকে। মামুনুল- আজকেই বিকালে, সন্ধ্যায় আসতাছি। না’রী: আরে নাহ। মামুনুল- আচ্ছা ঠিক আছে তুমি জানাও।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 worldinbangladesh.com