বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মাদ্রাসার ছাত্রদের কিছু হলে পুরো ‘ঢাকা শহর’ অচল করে দেওয়া হবে : ভিপি নুরের হুঁ’শিয়ারি পেঁয়াজের ‘দাম বাড়ানো’ শিখতে ঢাকায় আসছেন এক হাজার ব্যবসায়ী পূজা উপলক্ষে আরও ৬৩ মেট্রিক টন ইলিশ গেল ভারতে ইলিশ নিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের সেই স্ট্যাটাস ফেসবুকে ভাইরাল পানির দামে পেয়েও কলকাতায় তিনজনে ভাগে কিনছে এক ইলিশ অবশেষে চাপের মুখে পড়ে আগামীকাল থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ পাঠাচ্ছে ভারত ভারতকে পাত্তাই দিলো না ব্যবসায়ীরা, পাঁচ দেশ থেকে আসছে ১৯ হাজার মেট্রিকটন টন পেঁয়াজ আমি আশাকরি এরদোগান সপরিবার নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন: শেখ হাসিনা রি’মান্ডে মা’নসিক প্রতিব’ন্ধী হয়ে গেছে শা’হেদ: আ’ইনজীবী ম’ধ্যরাতে ঘরে ঢুকে ধ’র্ষণের চেষ্টা, ছা’ত্রলীগ নে’তা
ইলিশ নিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের সেই স্ট্যাটাস ফেসবুকে ভাইরাল

ইলিশ নিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের সেই স্ট্যাটাস ফেসবুকে ভাইরাল

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এ আবারার ফাহাদ ভারতকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন,

স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

কে বলে হিন্দুস্তান আমাদের কোন প্রতিদান দেয়না। এইযে ৫০০ টন ইলিশ পাওয়ামাত্র ফারাক্কা খুলে দিছে। এখন আমরা মনের সুখে পানি খাবো আর বেশি বেশি ইলিশ পালবো। ইনশাল্লাহ আগামী বছর এক্কেবারে ১০০১ টন ইলিশ পাঠাবো।

এদিকে গত বছর বাংলাদেশ থেকে ইলিশের প্রথম চালান পৌঁছানোর আগের দিন পেঁয়াজ বন্ধ করে ভারত। বছর ঘুরতেই সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এবার ইলিশ পাঠানোর দিনেই পেঁয়াজ আটকে দিল।

এ বছর দুর্গা পূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশের প্রথম চালান (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) পৌঁছেছে ভারতে। আর এদিনই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।

এবারও আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। ফলে রপ্তানি বন্ধের খবর শুনে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কেজি প্রতি ১০ টাকা করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আগে থেকে কোনো কিছু না বলেই ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে ভারত। এর পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইলিশের প্রথম চালান পাঠায় সেদেশে। সে সময় বেশ কয়েক মাস ধরে এ দেশের মানুষকে ভুগিয়েছে পেঁয়াজ।

পরপর দুই বছর পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ইলিশ পেয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনা।
সূত্র জানিয়েছে, ২০১৯ সালেও পূজা উপলক্ষে ভারতকে দেয়া হয় ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ। এ বছর তা বাড়িয়ে দেশটিকে ১ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন করা হয়।

আমদানিকারকরা বলছেন, প্রতি বছর ভারত থেকে গড়ে ১০-১৫ লাখ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি করে বাংলাদেশ। যা বাংলাদেশের বাজারের চাহিদার সবচেয়ে বড় যোগান।

কিন্তু কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ভারতের এমন রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে গেল বছর দেশের পেঁয়াজ বাজারে তৈরি চরম অস্থিরতা। যার ফলে সেবছর ৩০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে পেঁয়াজের দাম।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ আমদানিকারক খুলনার হামিদ এন্টার প্রাইজের প্রতিনিধি জনি ইসলাম জানান, পূজার সময় আমরা ভারতকে ইলিশ দিচ্ছি, অথচ তারা হঠাৎ করে এভাবে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ না করে সময় দিতে পারতো। এখন এমন অবস্থা আটকে পড়া পেঁয়াজে মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়বেন তারা।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, পেঁয়াজ আমদানি সহজ করতে আজ দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল বন্দরে বৈঠক করে। কিন্তু বিকেলের পর হঠাৎ করে ভারত থেকে আর পেঁয়াজ ঢুকছে না। তবে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের কোনো চিঠি দেয়নি।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন, সকাল থেকে ভারত থেকে পেঁয়াজ বোঝাই কোন ট্রাক হিলি বন্দরে প্রবেশ করেনি।

তবে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করবে কি না সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চিঠি ভারতীয় সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে দেয়া হয়নি। আমরা সেখানকার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ রাখছি পেঁয়াজের রফতানি স্বাভাবিক রাখতে

হিলি স্থলবন্দরের কয়েকজন পেঁয়াজ আমদানিকারক জানান, ‘কিছুক্ষণ আগে ভারতীয় রপ্তানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমাদের জানিয়েছেন যে ভারত কোনো পেঁয়াজ রফতানি করবে না। এ বিষয়ে কোনো চিঠি না দিলেও ভারতীয় কাস্টমসের নিষেধ থাকায় সকাল থেকে পণ্যটি আমদানি বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমাদের অনেক আমদানিকারকের বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলা রয়েছে। আমরা তো এখন বিপাকের মধ্যে পড়ে গেছি।

আমরা তাদেরকে বলছি আমাদের যেসব এলসি খোলা রয়েছে সেগুলোর পেঁয়াজ রফতানির জন্য।

আমাদের অনেক এলসির বিপরীতে অনেক ট্রাক মাল নিয়ে সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখন যদি তারা পেঁয়াজ না দেয় তাহলে আমাদের এই সব পেঁয়াজের কী অবস্থা হবে সেই চিন্তায় আছি।

এ বিষয়ে হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতীয় কাস্টমসের সাথে কথা হয়েছে সরকারি নির্দেশনা থাকায় পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রয়েছে। তবে পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে তারা জানিয়েছে।

এদিকে, ২০২০ সালে দেশের বাইরে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পূজা উপহার হিসেবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ১৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানো যাবে।

২২ অক্টোবর, দুর্গাপূজার সপ্তমী। গতবার ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর ছাড়পত্র মিলেছিল। এবার মোট নয়টি সংস্থাকে কম করে ১৫০ মেট্রিক টন করে ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ঢাকা।

এরই ধারাবাহিকতায়, ভারতের সাথে ‘গভীর বন্ধুত্ব’ ও ‘বাণিজ্যিক সম্পর্কের’ কারণে নিষেধাজ্ঞার ভেতরেও এবার পূজায় ১ হাজার ৪৫০ মে.টন ইলিশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার অংশ হিসেবে এবার ১২ মে.টন ইলিশ ভারতে গেল। সূত্র- সময় সংবাদ

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 worldinbangladesh.com