মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

মাছের আঁশও রপ্তানিপণ্য

মাছের আঁশও রপ্তানিপণ্য

জীবন কখন, কীভাবে, কাকে এনে কোথায় যে ফেলে—কিছুই ঠিক নেই তার। খুলনার মো. জুলফিকার আলম যেমন জীবনেও ভাবেননি মাছের আঁশের ব্যবসা করবেন। আর এখন পুরো ধ্যানজ্ঞানই তাঁর এই ফেলনা জিনিসটি। রপ্তানি তো করছেনই,

রীতিমতো দেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রক্রিয়াকরণ কারখানা করার চিন্তা করছেন। মাছের অাঁশ জীবন কখন, কীভাবে, কাকে এনে কোথায় যে ফেলে—কিছুই ঠিক নেই তার। খুলনার মো. জুলফিকার আলম যেমন জীবনেও ভাবেননি মাছের আঁশের ব্যবসা করবেন।

আর এখন পুরো ধ্যানজ্ঞানই তাঁর এই ফেলনা জিনিসটি। রপ্তানি তো করছেনই, রীতিমতো দেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রক্রিয়াকরণ কারখানা করার চিন্তা করছেন।

১৬ বছর আগের একটি ঘটনার কথা মনে করেন জুলফিকার। বলেন, ‘বিদেশি এক ক্রেতার সঙ্গে পরিচয় হয় খুলনায়। তিনিই বুদ্ধি দিলেন প্রথম। মাছের আঁশ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। কীভাবে সম্ভব, তা শিখিয়েও দিলেন তিনি। সেই যে হাঁটা শুরু করলাম, আর পেছনে তাকাইনি।’

শুরুর দিকে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেন তিনি মাছের আঁশগুলো যাতে ফেলে না দেওয়া হয়। বাজারে বাজারে নিজে ঘুরে বেড়াতেন। বলতেন যত্ন করে এগুলো জমিয়ে রাখতে। বিনিময়ে থোক হিসেবে মাসিক একটা টাকা দিতেন। এখন অবশ্য কেজি দরে কিনতে হয়। প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 worldinbangladesh.com