মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

ল’কডাউনের মধ্যে প্রে’মের টানে ভা’রতীয় ত’রুণী বাংলাদেশে

ল’কডাউনের মধ্যে প্রে’মের টানে ভা’রতীয় ত’রুণী বাংলাদেশে

করো’নাভাই’রাস পরিস্থিতিতে লকডাউনের মধ্যে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লায় এক ভা’রতীয় তরুণী কাঁ’টাতারের বেড়া পেরিয়ে বাংলাদেশে এসে গো’পনে বিয়ে করেছেন। অ’বৈধভাবে বাংলাদেশে আসা ওই তরুণীকে উ’দ্ধারে অ’ভিযান চালাচ্ছে পু’লিশ।

শনিবার (০৬ জুন) গভীর রাতে উপজে’লার বাউরা ইউনিয়নের কাঁঠালতলা এলাকায় বাংলাদেশি এক যুবকের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়। উপজে’লার বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামের সাইদুল ইস’লামের ছে’লে সাদ্দাম হোসেন ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। তারা স’ম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রে’মের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেছেন ভা’রতীয় ওই তরুণী। বি’ষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে তরুণীকে উ’দ্ধারে অ’ভিযান চা’লায় পু’লিশ। কিন্তু এলাকার ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় ওই তরুণীকে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে অ’ভিযোগ স্থানীয়দের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনদিন আগে সাদ্দাম হোসেন ও তার বড় ভাই ফল ব্যবসায়ী শাহ’জাহান মিয়া ভা’রতীয় তরুণীকে দহগ্রাম ইউনিয়নের ভা’রতীয় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। সেদিন থেকে আত্মীয় পরিচয়ে তাকে তাদের বাড়িতে রাখা হয়।

এরপর শনিবার রাতে ভা’রতীয় ওই তরুণীর সঙ্গে গো’পনে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এরই মধ্যে অ’বৈধ পথে ভা’রতীয় তরুণীর বাংলাদেশে আসার খবরের সত্যতা জানতে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা স্থানীয় ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেন।

কিন্তু ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বাবলুর সহযোগিতায় ভা’রতীয় তরুণী ও যুবক সাদ্দামকে অন্যত্র সরিয়ে দেয়া হয়। পরে বাউরা ইউনিয়নের কাঁঠালতলা এলাকার আবু তা’লেব ও শাহ’জাহানের বাড়িতে নিয়ে গো’পনে বিয়ে পড়ান ইউনিয়ন কাজি একে এম ফজলুল হক।

বিয়ের খবর পেয়ে পু’লিশ সেখানেও অ’ভিযান চা’লায়। কিন্তু এর আগেই ঘটনাস্থল থেকে সট’কে পড়েন তারা। তবে বিয়ে পড়ানোর কথা অস্বীকার করে বাউরা ইউনিয়নের কাজি একেএম ফজলুল হক বলেন, আমি ভা’রতীয় ওই তরুণীর সঙ্গে কারও বিয়ে রেজিস্ট্রি করিনি।

যেহেতু তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, তাই বিয়ে পড়ানোর সুযোগ নেই। ভা’রতীয় তরুণীকে ভাগিয়ে দেয়ার অ’ভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বাবলু বলেন, ইউএনওর ফোন পেয়ে ওই বাড়িতে খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পারি। কিন্তু সেখানে গিয়ে ভা’রতীয় ওই তরুণীকে পাইনি। পরে বি’ষয়টি ইউএনও স্যারকে অবগত করেছি।

পাটগ্রাম থা’না পু’লিশের ভা’রপ্রা’প্ত কর্মক’র্তা (ওসি) সুমন কুমা’র মহন্ত বলেন, বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে ভা’রতীয় তরুণীর বিয়ে হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে সেখানে পু’লিশ পাঠাই। পু’লিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। পরে আরেক সূত্রে জানা যায়, কাঁঠালতলা এলাকায় আবু তা’লেবের বাড়িতে তরুণীকে রাখা হয়েছে। পরে সেখানেও অ’ভিযান চা’লিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে পু’লিশ উ’দ্ধার অ’ভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পাটগ্রাম উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মশিউর রহমান বলেন, এডিএম স্যার ফোনে ভা’রতীয় তরুণীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ের বি’ষয়ে জানান। পরে সেখানে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে পাঠিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পারি। তবে পু’লিশের উপস্থিতি জানতে পেরে পা’লিয়ে গেছে তারা

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 worldinbangladesh.com